• Home /Exam Details (QP Included) / Main Exam / Optional Subject-Medical Group / Economics / Important Concepts of Economics -মুদ্রাস্ফীতি বা Inflation
  • Important Concepts of Economics -মুদ্রাস্ফীতি বা  Inflation
    Posted on May 5th, 2020 in Economics, Exam Details (QP Included)
    Tags: , ,

    Important Concepts of Economics -মুদ্রাস্ফীতি বা  Inflation

    By Dipayan Ganguly, WBCS Gr A

    মুদ্রাস্ফীতি মানে কি? মুদ্রার স্ফীতি। অর্থাৎ বাজারে বা ভদ্র ভাষায় অর্থনীতিতে যখন টাকার ছয়লাপ হয়, তখন সেই পরিস্থিতিকে বা অর্থনীতির সেই অসুখকে বলে Inflation বা মুদ্রাস্ফীতি। বাজারে টাকা অনবরত ধরাধরি খেলতে থাকে বাকি সমস্ত জিনিসপত্রের সাথে। যখন বেশি টাকা মিলে কম জিনিস (দ্রব্য) কে ধরতে যায়, তখন টাকার মূল্যটি কমে যায়। তখন কি হয়? টাকার যদি দাম কমে যায়, তাহলে জিনিসের দামটি বেড়ে যাবে। এই মূল্যবৃদ্ধির শতকরা হার হল মুদ্রাস্ফীতি। জলের মত সহজ এই চাহিদা যোগান।

    ধর বাজারে চালের দাম এই বছর ছিল ১০ টাকা কেজি। আগামী বছর তা বেড়ে হল ১১ টাকা কেজি। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বার্ষিক মূল্যবৃদ্ধি হল ১০ শতাংশ। বাজারে যদি শুধু চাল পাওয়া যেত, তাহলে আমরা এই মূল্যবৃদ্ধির হারকে অর্থনীতির মুদ্রাস্ফীতি বলে ধরে নিতাম। যেহেতু বাজারে দ্রব্য একাধিক, তাই মুদ্রাস্ফীতির হিসাবটি কিঞ্চিৎ জটিল প্রক্রিয়ায় কষতে হয়।

    তা এই Inflation কত রকমের হয়। পাঁচ রকমের—

    Creeping inflation- যখন মুদ্রাস্ফীতির হার ১-৫ শতাংশের মধ্যে থাকে। এই ধরণের মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতির জন্য সবথেকে ভালো।

    Walking inflation- যখন মুদ্রাস্ফীতির হার ৬-১০ শতাংশের মধ্যে থাকে। আমাদের দেশে গত দশকের শেষের দিকে এই পরিস্থিতি হয়েছিল।

    Galloping inflation—১১-২০ শতাংশ

    Runaway inflation— ২১-৪০ শতাংশ

    Hyperinflation— ৪০ শতাংশের বেশি। দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ জিম্বাবোয়েতে এর প্রকোপের কথা আমরা সবাই জানি।

    বিভিন্ন অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির এই বিভাগের প্রকারভেদ করা হয়েছে।

    এই বারে প্রশ্ন হল- মুদ্রাস্ফীতির কারণ কি?

    এর মূলত দুটি কারণ রয়েছে—

    Demand pull বা Consumer based inflation এবং

    Cost push বা Producer based inflation

    Demand pull inflation — নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে যে Demand বা চাহিদা এই inflation কে বাড়িয়ে তুলছে। কিভাবে? ধর জনসংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। যত লোক, তত পেট, তত লোভ ইত্যাদি। তাহলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য তো বটেই, এমনকি বিলাসবহুল সামগ্রীর দাম বাড়তে বাধ্য। এর পরে ধর, সরকার কর্মসংস্থান খাতে খরচ করে NREGA, ১০০ দিনের কাজ ইত্যাদি প্রকল্পগুলি তৈরি করল। এর ফলে লোকে কাজ পেল, তাদের পকেটে টাকা এল, আর আগের একটি পোস্টে বলেছি Marginal propensity to consume এর ব্যাপারটি। কাজেই দাম তো হু হু করে বাড়বে।

    যত লোক গ্রাম থেকে শহরে আসবে তত তাদের ফুটানি বাড়বে। আর ফুটানি বাড়া মানে খরচ বেশি করা। লোকে যত বেশি খরচ করবে তত বেশি দাম বাড়বে। কাজেই এই মুদ্রাস্ফীতিটি জড়িয়ে আছে উপভোক্তা বা Consumer এর সাথে এবং তাই একে Consumer based inflation ও বলা যায়।

    Cost push inflation — কোনো দ্রব্যের total production cost বেড়ে যাওয়ার জন্য যে মুদ্রাস্ফীতি হয় তাকে বলে Cost push inflation। ধর ট্যাক্স বেড়ে গেল, তাহলে Producer কি সেটি নিজের পকেট থেকে দেবেন? নিশ্চয় নয়। তাহলে বাড়তি টাকা দেবে কে? কেন? গৌরী সেন। অর্থাৎ আম আদমি। কোনো জিনিসের দাম ছিল ১০০ টাকা, এবারে এর ওপর অতিরিক্ত ৫/- কর বসল, ফলে দাম দাঁড়াল ১০৫/- এ। বোঝাই যাচ্ছে, এক লাফে ৫ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি।

    এর পরে ধর কালো টাকা তো প্রচুর রয়েছে যা সরকার কোনো পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারছে না। পরিকাঠামো improve করা গেলে দ্রব্যের উৎপাদন খরচ কমে যেত। কাজেই দাম অতটা বাড়ত না।

    আবার ধর তেলের দাম বাড়ল। তাহলে যে সমস্ত জিনিসপত্র ট্রাকে করে বাজারে আসে তার দাম বাড়বে। পরিবহন খরচ কে বহন করবে তাহলে? ওই যে আগেই বলেছি, গৌরী সেন।

    যেহেতু এখানে মুদ্রাস্ফীতি হচ্ছে Producer এর সাইড থেকে, তাই একে Producer based inflation ও বলা হয়। অর্থাৎ Producer এরা জিনিসের দাম ঠেলে ওপরে তুলে দেয়।

    তাহলে inflation এর ফলাফল কি?

    একটু আধটু inflation অর্থনীতিতে থাকা দরকার আছে বৈকি। কারণ জিনিসের দাম একেবারে না বাড়লে মজুরদের মাইনে বাড়বে না। একটু বড় করে দেখতে গেলে, উৎপাদনকারীদের সদিচ্ছা থাকবে না। দাম বাড়লেই তো লাভ বেশি।

    অবশ্য খারাপ দিকও আছে। মুদ্রাস্ফীতি বা

    inflation হলে লোকের খরচ বেশি হবে, তখন লোকে ব্যাঙ্কে টাকা কম রাখবে। ব্যাঙ্কের হাতে টাকা না থাকলে বড় বড় ব্যবসায়ীদের লোন দেওয়ার রসদ থাকবে না। এর মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি কমানোর জন্য রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট ও CRR বাড়িয়ে ব্যাঙ্কগুলির অবস্থা করে দেবে গোদের ওপর বিষফোড়ার মতন। এর ফলে নতুন প্রকল্পগুলি ধাক্কা খাবে।

    লোকজন অনেক খাতে খরচের রাশ টেনে দেবে তার নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানোর জন্য। কাজেই কিঞ্চিৎ বিলাসবহুল সামগ্রী সেই রকম ভাবে বিক্রি হবে না। এর ফলে সেই কোম্পানির ব্যবসা লাটে ওঠার মতন অবস্থা হবে। তখন তারা কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটবে। লোকের হাতে কাজ না থাকলে তাদের খরচ করার প্রবণতা কমে আসবে। এর ফলে তারাও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর নূন্যতম খরচ করার কথা ভাববে। এর ফলে আরও বিলাসবহুল সামগ্রী তৈরি করা কোম্পানির হাঁড়ির হাল হবে। তখন ব্যবসায় টিকে থাকতে তারা ডিসকাউন্ট দিতে থাকবে। তখন সাধারণ মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্তরা টাকা খরচ করে সেগুলি কিনবে। এর পরে ধীরে ধীরে অবস্থার উন্নতি হবে।

    মুদ্রাস্ফীতি হলে কোম্পানিগুলি নতুন লগ্নী করতে ভয় পাবে। কারণ মানুষের হাতে টাকা বেশি না থাকলে তারা ভবিষ্যতে অন্যান্য খাতে খরচ করতে ভয় পাবে।

    কাজেই inflation এর যে ভালো খারাপ দুটি দিক আছে তা অস্বীকার করা যায় না।

     মুদ্রাস্ফীতি (Part 2)

    আগের পোস্টে মুদ্রাস্ফীতি Inflation সম্পর্কে একটি ছোটখাট ধারণা শেয়ার করেছিলাম। আজকে আলোচনা করব Inflation সংক্রান্ত আরও কয়েকটি তথ্য যা মুদ্রাস্ফীতির সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। মূল কথা, মুদ্রাস্ফীতির সাথে বাকিদের যে অবৈধ সম্পর্কগুলি আছে,  তার আজ পর্দাফাঁস করা হোক।

    Inflation Spiral

    মুদ্রাস্ফীতি হলে জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। জিনিসপত্রের দাম বাড়লে শ্রমিকেরা বেতন বাড়ানোর দাবী রাখবে। বেতন বাড়লে তাদের purchasing power বাড়বে। এর মানে তারা আরও বেশি পরিমাণে জিনিস কিনবে। এর ফলে চাহিদা বাড়বে। আর চাহিদা বাড়লেই দাম বাড়বে। ফলে মুদ্রাস্ফীতি হবে। তখ শ্রমিকেরা আবার মাইনে বাড়ানোর প্রস্তাব দেবে। কাজেই বেতন বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির এই বন্ধনকে বলে Inflation Spiral যা একটি Vicious cycle ছাড়া আর কিছুই নয়।

    Philips Curve

    মুদ্রাস্ফীতির সাথে যদি বেতনের সম্পর্ক তৈরি করা যায়, তাহলে বেকারত্বের সাথেও করা যায় বৈকি। পন্ডিতদের মতে বেকারত্ব বাড়লে মুদ্রাস্ফীতি কমবে। কেন? যত লোক বেকার হবে, তত লোকের purchasing power কমবে। আর purchasing power কমে যাওয়া মানে বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া। চাহিদা কমলে দাম অতটা বাড়বে না, অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি কমবে। এটিকে যদি গ্রাফে প্লট কর, তাহলে একটি ব্যস্তানুপাতিক Curve তৈরি হবে। এটি হল Philips Curve, যেটি অবশ্য short term এর জন্যেই প্রযোজ্য।

    Misery Index

    মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব নিয়ে গ্রাফ যদি প্লট করতে পারি তাহলে সিনেমাও তৈরি করতে পারি। ইয়ে মানে, সূচক বা Index তৈরি করতে পারি। সূচক নিয়ে মাথাব্যথা সরকারের বাঘা বাঘা অর্থনীতিবিৎ দের। যখন long term এ বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতি ব্যস্তানুপাতিক হওয়া বাদ দিয়ে গলাগলি করে দুজনেই বেড়ে উঠতে থাকে, তখন সরকারের Misery শুরু হয়ে যায়। এইসময় সরকারকে নানারকম খরচপাতি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়। একে বলে Misery Index

    Stagflation

    এটি হল GDP Growth এর সাথে Inflation এর অবৈধ সম্পর্ক। সাধারণত জিনিসপত্রের দাম বাড়লে বেতন বাড়ে, বেতন বাড়লে চাহিদা বাড়ে, চাহিদা বাড়লে শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায় লাফিয়ে লাফিয়ে উৎপাদন বাড়ায় ও শেষমেশ GDP Growth হু হু করে বাড়তে থাকে। কিন্তু অর্থনীতির রেলগাড়ি যখন বেলাইন হয়ে যায়, তখন সব সমীকরণ  বদলে উল্টোপাল্টা হতে থাকে। মুদ্রাস্ফীতি বাড়লেও তা শেষমেশ GDP Growth কে টেনে না তুলে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নামিয়ে দেয়। অর্থাৎ GDP Growth কমতে থাকে। এই পরিস্থিতির নাম হল Stagflation

    Disinflation

    ধর বাজারে আলুর দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা থেকে হঠাৎ করে বাড়তে বাড়তে ১১,১২,১৩,১৪ হয়ে ১৫ টাকায় পৌঁছে গেল। এবারে ১৫ টাকা তো যোগান কমে যাওয়ার shock এ বা শোকে বেড়ে গেছিল। এইবারে ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে ১২ বা ১৩ টাকায় দাঁড়াল। দামটা কিন্তু ১০ টাকার বেশি থাকল, কিন্তু উঠলে ওঠা দুধের মতন থিতিয়ে  পড়ল। এই পরিস্থিতিকে বলে Disinflation।

    Deflation

    এর মানে জিনিসপত্রের দাম কমতে থাকা। মনে কর হঠাৎ করে যোগান বেড়ে গেল। এবারে চাহিদা যদি সেই অনুযায়ী না বাড়ে তাহলে জিনিসপত্রের দাম কমতে থাকবে।

    তাহলে Deflation ও Recession এর মধ্যে তফাৎ কি? অর্থনীতিতে GDP growth কমতে কমতে ঋণাত্মক হয়ে গেলে এবং পরপর ছ মাস এই অবস্থা থাকলে তাকে Recession বলে। Recession হলে মুদ্রাস্ফীতি কমে যায় এবং সবশেষে জিনিসপত্রের দামও কমতে থাকে। Deflation হলে দাম কমবে বটে কিন্তু তাই বলে GDP growth কে টলাতে পারবে না। Recession হল বড়ে মিঁঞা, আর Deflation হল ছোটে মিঁঞা।

    Our own publications are available at our webstore (click here).

    For Guidance of WBCS (Exe.) Etc. Preliminary , Main Exam and Interview, Study Mat, Mock Test, Guided by WBCS Gr A Officers , Online and Classroom, Call 9674493673, or mail us at – mailus@wbcsmadeeasy.in
    Visit our you tube channel WBCSMadeEasy™ You tube Channel
    Please subscribe here to get all future updates on this post/page/category/website
    "WBCS

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

     2019 2019 2019