• Home /Exam Details (QP Included) / Preliminary Exam / Indian Polity & Economy / Indian Economy – ইকনমির কিছু দুর্বোধ্য বিষয় – W.B.C.S. Examination.
  • Indian Economy – ইকনমির কিছু দুর্বোধ্য বিষয় – W.B.C.S. Examination.
    Posted on June 18th, 2020 in Indian Polity & Economy
    Tags: , ,

    Indian Economy – ইকনমির কিছু দুর্বোধ্য বিষয় – W.B.C.S. Examination.

    By Dipayan Ganguly, WBCS Gr A

    ইকনমির অনেক কিছু দুর্বোধ্য বিষয়গুলি অনেকে না পড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যেমন উৎপাদন, ভর্তুকি, কর প্রভৃতি এবং এর সাথে অর্থনীতির যোগাযোগ।Continue Reading Indian Economy – ইকনমির কিছু দুর্বোধ্য বিষয় – W.B.C.S. Examination.

    যেমন ধর Factor Cost, এটা শুনেছি GDP এর হিসাব বের করার সময় ধরা হয়। তা এটা কি? বুঝতে গেলে আমাদের Factors of Production টা জানতে হবে। সেগুলি কি?

    একটা Factory তে কিছু তৈরি করতে গেলে আমাদের কি কি প্রয়োজন। জমি জায়গা, শ্রমিক, টাকা এবং কাঁচামাল। এগুলিকে Factors of Production বলে। এর মানে হল যেসব জিনিস ছাড়া উৎপাদন হবে না। এবারে ধর আমি সেই ফ্যাক্টরি তে একটা মোবাইল তৈরি করছি । এতে কাঁচামালে আমার খরচ ২০০০, জমির জন্য আনুপাতিক খরচ ৫০০, শ্রমিকের আনুপাতিক মজুরি ৫০০। অর্থাৎ মোট খরচ ৩০০০ টাকা। এর মধ্যে এখন আমি কর বা Tax চাপাচ্ছি না। কাজেই কর বাদ দিয়ে যে ৩০০০ খরচ হল এটাই হল Factor Cost বা Production Cost

    এই যে মোবাইল তৈরি হল, ধর এটি তৈরি করার সময় ১০ শতাংশ Excise duty চাপানো হল। তাহলে এর দাম দাঁড়ালো ৩৩০০ টাকা। এবারে এর ওপর VAT চাপানো হল ২০০ টাকা। তাহলে বাজারে এটি যখন এল , তখন এর বাজারমূল্য বা Market Price দাঁড়ালো= ৩০০০+৩০০+২০০= ৩৫০০ টাকা। যদি সরকার এটির ওপর ১০০০ টাকা ভর্তুকি বা Subsidies দেয় তাহলে বাজারে এর দাম দাঁড়াবে ৩৫০০-১০০০= ২৫০০ টাকা। অর্থাৎ Factor Cost এর থেকেও কম।

    তাহলে GDP হিসাব করার সময় Factor Cost এ হিসাব করা হয় কেন?

    Market Price এ হিসাব করলে নানারকম কর, ভর্তুকি এই সব যোগ বিয়োগ করতে হত। যেহেতু বিশ্বের অন্যান্য অর্থনীতির সাথে আমাদের তুলনার ব্যাপারটি রয়েছে এবং বিভিন্ন দেশে কর ও ভর্তুকির হার আলাদা, সেই কারণে Factor Cost এ আমরা GDP এর হিসাব করে থাকি।

    RBI terminologies

    আমরা জানি ব্যাঙ্ক বা যে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন বা ধার পেতে পারি। পার্সোনাল লোন, গৃহ ঋণ , গয়না বন্ধক রেখে লোন, গাড়ির লোন প্রভৃতি।

    পার্সোনাল লোনে কোনো কিছু বন্ধক রাখতে হয় না, কাজেই এর জন্য সুদ বেশি গুনতে হয়। আবার বিপদের সময় গয়না বন্ধক রেখে ধার নেওয়া যায়, যার সুদের হার পার্সোনাল লোনের থেকে একটু কম। গৃহঋণের ক্ষেত্রে সুদের হার তুলনামূলক কম কারণ গয়নার দাম ওঠানামা করলেও জমিজমার দাম সাধারণত বেড়েই থাকে, কমে যায় না।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক হল বাকি সমস্ত ব্যাঙ্কের, এমন কি সরকারের ও ব্যাঙ্ক। এই ব্যাঙ্ক রীতিমত চাবুক মেরে বাকি ব্যাঙ্কগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে। সমস্ত ব্যাঙ্ককে এর কাছে টাকা জমা রাখতে হয়। আবার টাকার প্রয়োজন হলে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে টাকা ধার করতেও হয়।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যখন কোনো ব্যাঙ্ককে বিনা বন্ধকে শুধুমাত্র সেই ব্যাঙ্কের সংসার চালানোর জন্য ধার দেয়, তখন সেই সুদের হারকে Bank rate বলে। এটা অনেকটা পার্সোনাল লোনের মতন। তফাৎ একটাই, এই ধারটি দীর্ঘমেয়াদী।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যখন কোনো ব্যাঙ্ককে Government Securities গুলি বন্ধক রেখে টাকা ধার দেয় তখন সেই সুদের হারকে Repo rate (repurchase agreement) বলে। এই হার Bank rate এর চাইতে কম, কারণ সরকারী বন্ডগুলি বন্ধক আছে তো। এটা অনেকটা গৃহঋণের মতন। তফাৎ একটাই, এই ঋণ স্বল্পমেয়াদী। এই রেট বা ব্যাঙ্ক রেট বেড়ে যাওয়া মানে ব্যাঙ্কগুলিকে বেশি সুদ গুণতে হবে। ব্যাঙ্ক নিজের ট্যাঁক থেকে থোড়াই দেবে, ও তো পাবলিকের ঘাড় ভেঙে আদায় করবে, সব ঋণে সুদের হার বাড়িয়ে।

    সমস্ত ব্যাঙ্কের কাছে অতিরিক্ত টাকা থেকে গেলে কি হবে? আমাদের বাড়ির বাড়তি টাকা যেমন আমরা ব্যাঙ্কে রাখি , তেমন ব্যাঙ্কগুলিও তাদের ব্যাঙ্ক অর্থাৎ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে সেই বাড়তি টাকা জমা রাখে। এর জন্য রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যে সুদ দেয় সেই সুদের হারকে reverse repo rate বলে। এটি repo rate এর থেকে কম হয়। কেন? আরে ভাই ব্যাঙ্কে জমার সুদের হার কম ঋণের সুদের হার থেকে, এখানেও তাই। তেজারতি কারবার বলে কথা।

    হঠাৎ করে ব্যাঙ্ক বিপদে পড়লে, মানে দু একদিনের জন্য টাকার দরকার পড়লেও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক টাকা ধার দেয়। এক্ষেত্রে সরকারী বন্ড বন্ধক রেখে , সেই ব্যাঙ্কের Net Demand and Time Liabilities (NDTL) এর এক শতাংশ অবধি টাকা ধার দেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। যেমন বিপদে আপদে গয়না বন্ধক রাখা হয়। এই সুদের হারকে Marginal Standing Facility rate বলে।

    প্রতিটি ব্যাঙ্ককে আবার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে তার Net Demand and Time Liabilities (NDTL) এর ৪ শতাংশ জমা রাখতে হয়। মানে তুমি ব্যাঙ্কে ১০০ টাকা জমা রাখলে, ব্যাঙ্ক তার থেকে ৪ টাকা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে জমা রাখল। এতে Liquidity নিয়ন্ত্রণে রাখল আমাদের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই অনুপাতকে Cash Reserve Ratio বা CRR বলে।

    Special drawing rights (SDR) হল IMF এর তৈরি মুদ্রার মতন ব্যবহারযোগ্য একটি টেন্ডার। এটি মুদ্রা নয় কিন্তু মুদ্রার থেকে কমও নয়। আসলে IMF ইউরো এবং চারটি বাঘা বাঘা দেশের (আমেরিকা, ব্রিটেন, চিন, জাপান) মুদ্রা নিয়ে একটি মুদ্রার ভান্ডার তৈরি করেছে। তাই বলে পাঁচটি মুদ্রা গলিয়ে শংকর ধাতু তৈরি করেছে নাকি? আরে না না। আসলে ওই পাঁচটি মুদ্রার মুল্যের ওপর গড় এবং আরও অনেক জটিল অঙ্ক কষে নিজের মতন করে মুদ্রা সমকক্ষ একটি বস্তু তৈরি করেছে। এটিই হল Special drawing rights বা SDR।

    তা এর প্রয়োজন হল কেন? কারণ এর আগে আন্তর্জাতিক লেনদেন হত সোনা বা ডলারে। কিন্তু দিনের পর দিন লেনদেনের সংখ্যা বাড়ছে। অত সোনাই বা কোথায় পাব, অত ডলারই বা কে ছাপাবে? তাহলে IMF কি যে কোনো মুদ্রায় আমার Balance of Payment এর সমস্যা মেটাবে নাকি? না, সেই জন্যই এই SDR তৈরি করা। আসলে এটি একটি Reserve basket, যখন দরকার SDR নাও আর যখন শোধ দেবে তখন যে কোনো মুদ্রায় ফেরত দাও। সোনার পরিবর্তে সোনা বা ডলারের পরিবর্তে ডলার দিতে হচ্ছে না। এতে লেনদেনের সমস্যা কমল।

    CRR কি?

    আগেই বলেছি, ব্যাঙ্কে যে টাকাটা আম আদমি জমা রাখে সেই টাকার মোট যোগফলকে Net Demand and Time liabilities বলে। Liability কারণ ব্যাঙ্ককে এই টাকা পাবলিকের কাছে ফেরত দিতে হবে। এবার এই টাকার একটা অংশ (সাধারণত ৪ শতাংশ) রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে জমা রাখতে হয়। কেন? যাতে বেশি টাকা বাজারে না ছড়ায়, তাহলে তো মুদ্রাস্ফীতি হবে। একে বলে CRR বা cash reserve ratio

    তাহলে Incremental cash reserve ratio কি?

    ব্যাঙ্কে হঠাৎ করে প্রচুর টাকা জমা পড়লে, যেমনটা Demonetization এর সময় হয়েছিল, ব্যাঙ্ক তো সেই টাকা বড় বড় ব্যবসায়ীদের লোন দিয়ে বাজারে ছড়িয়ে দেবে। এতে তো টাকার যোগান বাড়বে আর সঙ্গে সঙ্গে সাংঘাতিক রকমের মুদ্রাস্ফীতি হবে। তাহলে উপায়? রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এই বাড়তি জমার ১০০ শতাংশই নিজের কাছে জমা রাখতে পারে। এটাই হল Incremental cash reserve ratio এর মূল বিষয়বস্তু।

    Trickle down effect মানে কি?

    ধর ধনী ব্যবসায়ী বা উদ্যোগীরা কল কারখানা খুলে উৎপাদন শুরু করল। এতে সেই জায়গার গরিব মানুষেরা কাজ পেল, তাদের পকেটে পয়সা এল। সেই পয়সা দিয়ে তারা ওই কল কারখানাতে তৈরি জিনিস গুলো কিনল। এতে ব্যবসায়ীদেরও লাভ হল। অর্থাৎ বড়লোক যেমন আরও বড়লোক হল, গরিবও আর গরিব থাকল না। এটাই Trickle down effect, অর্থাৎ সকলেই জিতব এমনটা হওয়া।

    Please subscribe here to get all future updates on this post/page/category/website

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

     2019 2019 2019