• Home /Exam Details (QP Included) / Preliminary Exam / Indian Polity & Economy / Indian Economy – তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা – ইকনমির কন্সেপ্ট – W.B.C.S. Exam.
  • Indian Economy – তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা – ইকনমির কন্সেপ্ট – W.B.C.S. Exam.
    Posted on June 19th, 2020 in Indian Polity & Economy
    Tags: , ,

    Indian Economy – তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা – ইকনমির কন্সেপ্ট – W.B.C.S. Exam.

    By Dipayan Ganguly, WBCS Gr A

    প্রথম পরিকল্পনাতে বাম্পার সাফল্য আসলেও দ্বিতীয় পরিকল্পনাতে ভারী শিল্পের দিকে বেশি নজর দিতে গিয়ে হাঁড়ির হাল হল। বৃদ্ধির হার গেল কমে, এদিকে অ৳তিরিক্ত আমদানি করতে গিয়ে রপ্তানির দিকে নজর দেওয়া হয় নি। কিন্তু রপ্তানি যে করবে, তার জন্য পর্যাপ্ত মাল কই? এর মধ্যে গোদের ওপর বিষফোড়ার মতন ১৯৬২ তে চিনের সাথে, ১৯৬৫ তে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ। এর ওপর ১৯৬৪ তে নেহেরুজী এবং ১৯৬৬ তে শাস্ত্রীজীর মৃত্যুতে দেশটা একেবারে নেতাশূণ্য হয়ে গেল। খাবারের buffer stock তো যুদ্ধের জন্য প্রায় শেষ, মুদ্রাস্ফীতি 36%, বৃদ্ধির লক্ষ্য ছিল 5% কিন্তু শেষ পর্যন্ত 2.4% এ রথের চাকা বসে গেল।Continue Reading Indian Economy – তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা – ইকনমির কন্সেপ্ট – W.B.C.S. Exam.

    এই সময়ে বাজেট ঘাটতি ছিল অনেকটা বেশি, দু দু খানা যুদ্ধ বলে কথা। কাজেই টাকা নেই। কে দেবে টাকা? গৌরী সেন অর্থাৎ IMF, কিন্তু IMF তো মুখ দেখে টাকা দেবে না। এর ওপর বৈদেশিক সাহায্য বন্ধ হওয়ার উপক্রম হল, যেমনটা যুদ্ধে জড়ালে অথবা বোমা ফাটালে হয় আর কি। অগত্যা মধুসূদন— টাকার দাম কমিয়ে রপ্তানি সস্তা কর, যাতে বেশি করে দেশের মাল বিক্রি হয়। এ ছাড়াও বেশি করে নোট ছাপিয়ে অর্থাৎ Deficit financing করে ১১৩৩ কোটি টাকা জোগাড় করা হল। মুদ্রাস্ফীতি 36% কি আর এমনি এমনি হয়েছিল?

    এই পরিকল্পনায় মোট ৭৫০০ কোটি টাকা খরচ ধার্য করা হয় যা শেষ অবধি বেড়ে ৮৬৩১ কোটি টাকায় গিয়ে দাঁড়ায়। যেহেতু ভারত কৃষিপ্রধান দেশে, কাজেই সেচের জন্য ২২ শতাংশ বরাদ্দ করা হল। এর ফলে সবুজ বিপ্লব জিন্দাবাদ! শিল্পের জন্য 20.5% এবং পরিবহনের জন্য 19.5% টাকা তুলে রাখা হল।

    এই পরিকল্পনায় শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন এসেছিল। রাজ্যগুলোকে মাধ্যমিক স্তরে এবং উচ্চশিক্ষার জন্য দায়ভার নিতে বাধ্য করানো হল। এ ছাড়াও রাজ্য বিদ্যুৎ বোর্ড এবং রাজ্য পরিবহন বোর্ড গঠন করা হল। অর্থাৎ কেন্দ্র সরকার পরিষ্কার জানিয়ে দিল— যে যার নিজেরটা দেখ ভাই। আত্মনির্ভর বনো।

    রাজ্যের ওপর দায় চাপাতে গেলে গ্রাম স্তরেও কিছু একটা করতে হবে তো। কাজেই পঞ্চায়েৎ নির্বাচন শুরু হল এবং চারিদিকে বিকেন্দ্রীকরণের শোরগোল দেখা দিল।

    এই চাপের পাঁচ বছর ইঙ্গিত দিল যে এইবার কিছু ছুটিছাটা পেলে ভালো হয়। এর পরেই তো plan holiday এর ঘোষণা হল।

    Please subscribe here to get all future updates on this post/page/category/website

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

     2019 2019 2019