• Home /Exam Details (QP Included)>Preliminary Exam>Indian Polity & Economy / ইকনমির কন্সেপ্ট – Price Elasticity Of Demand – For W.B.C.S. Examination.
  • ইকনমির কন্সেপ্ট – Price Elasticity Of Demand – For W.B.C.S. Examination.

    By Dipayan Ganguly, WBCS Gr A
    কোন জিনিসের দামের হেরফের হলে তার চাহিদার হেরফের হতে থাকে। দাম বাড়লে চাহিদা কমতে থাকে, আবার দাম কমলে দোকানের সামনে ভিড় জমে যায়।Continue Reading ইকনমির কন্সেপ্ট – Price Elasticity Of Demand – For W.B.C.S. Examination.
    Price Elasticity Of Demand হল সেই বস্তুর দামের হেরফের এর সাপেক্ষে চাহিদার পরিবর্তনের হার। অর্থাৎ সেই বস্তুটির দাম ১০ শতাংশ কমলে যদি চাহিদা ১৫ শতাংশ বেড়ে যায় তাহলে এই Price Elasticity Of Demand= ১৫/১০= ১.৫।
    কোন জিনিসের দামের সামান্য পরিবর্তন যদি তার চাহিদাকে অনেকটা বাড়িয়ে বা কমিয়ে দেয়, তাহলে সেই জিনিসটাকে আমরা elastic
    বলব। যেমন ধর মোবাইল ফোন, আমাজন একটু অফার দিয়েছে কি সবাই হই হই করে ঝাঁপিয়ে পড়ল। Big Billion day!
    আবার কোনো জিনিসের দামের হেরফের খুব বেশি হলেও চাহিদার খুব একটা পরিবর্তন হয় না। এদের inelastic সামগ্রী বলে। যেমন চাল, গম প্রভৃতি। এদের দাম অনেকটা বাড়লেও আমাদের কিনতে হবে, কারণ দু বেলা খেয়েপরে থাকতে তো হবে। কাজেই শুদ্ধ ভাষায় বলা যেতে পারে যে মূল্য পরিবর্তনের প্রতি এই সামগ্রীটি সংবেদনশীল নয়।
    ব্যবসায়ীরা এই অনুপাতকে কাজে লাগায় উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করতে। যে এই অনুপাতকে সবচাইতে ভালো ভাবে বুঝে ফেলে, সে তত বড় ঘুঘু, মানে ভালো ব্যবসায়ী আর কি।
    Primary market— ধর তুমি বাজার থেকে চাল না কিনে সরাসরি চাষী ভাইদের থেকে ধান কিনতে চাও। চাষীরা তো তোমাকে ৫ কিলো ধান দেবে না, কিনতে হলে কয়েক ক্যুইন্টাল নিতে হবে। কারণ কম সময়ে তার ফলন বিক্রি করতে পারলে তবেই সে নিজের কাজকর্মের জন্য সময় বরাদ্দ করতে পারবে।
    এই সময় যত রাজ্যের ফড়ে এবং middleman এরা, অবশ্য এখন তো কৃষক বাজারও হয়েছে— এরা চাষীদের থেকে ফসলটি কিনে নেয়। এই ধরণের বাজারকে বলে Primary market
    কোম্পানিগুলি যখন বাজারে তাদের শেয়ার ছাড়তে চায় টাকা তোলার জন্য, যে টাকাটি তারা বিনিয়োগের জন্য বরাদ্দ করবে, তখন আমজনতার কাছে IPO বা Initial Public Offering এর সাহায্য নেয়। তোমার আমার মতন চুনোপুঁটির তো এত ঔকাৎ নেই যে সেই সময় ভুরি শেয়ার কিনব। তখন মূলত রাঘব বোয়ালেরা অর্থাৎ বড়সড় কোম্পানিগুলি এই IPO গুলি কিনে নেয়। এর পাশাপাশি Investment Banker এরা কোম্পানিকে নানারকম মতামত দিতে থাকে।
    অর্থাৎ , সরাসরি উৎপাদনকারীর সাথে যে বাজারে লেনদেন হয় সেটিকে Primary market বলে।
    Secondary Market— চাষীরা তাদের ধান বিক্রি করল কৃষক বাজারে অথবা ফড়েদের কাছে। এবারে সেই ধান থেকে চাল বের করে ট্রাকে করে নিয়ে আসা হল বাজারে। সেই বাজার থেকে খুচরা অথবা পাইকারি দরে তুমি চাল কিনলে। এই ধরণের বাজারকে বলা হয় Secondary Market
    বড় বড় কোম্পানিগুলির শেয়ার যখন শেয়ার বাজারে বিক্রি হয়, তখন আমজনতা থেকে শুরু করে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা (Foreign Institutional Investors বা FII) এরা সেই সমস্ত শেয়ার কেনাবেচা করে।
    অর্থাৎ , সরাসরি উৎপাদনকারীর সাথে না হয়ে তৃতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে যে বাজারে লেনদেন হয় সেটিকে Secondary market বলে।
    FDI বা Foreign Direct Investment
    যখন বিদেশী কোম্পানিগুলি দেশের মধ্যে বিনিয়োগ করে গরিব ভারতীয়দের রুজি রুটির ব্যবস্থা করার পাশাপাশি Technology transfer করে থাকে, তখন তাকে FDI বা Foreign Direct Investment বলা হয়। Make in India প্রোগ্রামটি এই সব FDI বিনিয়োগকারীদের সবুজ সঙ্কেত দেখানোর একটি প্রচেষ্টা বৈকি। এদের বিনিয়োগ দীর্ঘ ফলপ্রসূ, কারণ যত সহজে এদের বাজারে প্রবেশাধিকার রয়েছে, বাজার থেকে এদের বেরিয়ে যাওয়া ঠিক ততটা কঠিন। সব দেশের সরকার চায় বিদেশীরা লগ্নী করুক। কিভাবে? এমন ভাবে টাকা খাটিয়ে যাতে দেশের ও দশের উন্নতির পাশাপাশি stability ও বজায় থাকে।
    FII বা Foreign Institutional Investors
    এরা হল সুদিনের বিদেশী বন্ধু। দেশের শেয়ার বাজারে টাকা খাটিয়ে নিজেরা মুনাফা ঘরে তোলে। যখন খুশি টাকা ঢালে, যখন খুশি শেয়ার বেচে টাকা তুলে নেয়। এদের কোনও স্থিরতা নেই। অর্থনীতির মধ্যে instability এর জন্য এরাও কিছুটা দায়ী। তবে কি বা করতে পারি আমরা? লগ্নীকারী হল লক্ষ্মী, আর হাতের লক্ষ্মী তো পায়ে ঠেলা উচিত নয়।
    Convertibility of Rupee
    Convert মানে কি? রুপান্তর করা। কিসের রুপান্তর? টাকার। টাকার আবার কি রকম রুপান্তর হয়? কেন হবে না? দেশ বিদেশের মধ্যে যদি জিনিসপত্রের লেনদেন হয় তাহলে টাকার হবে না কেন? অর্থাৎ প্রতিটি দেশের মুদ্রা একে অপরের সাপেক্ষে কতটা সস্তা অথবা দামি হচ্ছে সেটাই এখানে বোঝার বিষয়।
    তাহলে প্রশ্ন, অন্য দেশের মুদ্রার সাপেক্ষে টাকার কেনাবেচা কি মুড়ি মুড়কির মতন হয় না কি? না। এমনিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আইন কানুন অনুযায়ী ব্যাঙ্কগুলি তাদের সম্পূর্ণ টাকা বাজারে খাটাতে পারে না, তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারে টাকার কেনাবেচা অত সহজ হবে না কি।
    দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে Foreign Exchange Regulation Act বা FERA আইনের মাধ্যমে এটা বলা হয় যে কেউ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অনুমতি ছাড়া বিদেশী মুদ্রা রাখতে পারবে না। ১৯৭৩ এ এই আইনের কিঞ্চিৎ সংশোধন হলেও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক খুব কড়াকড়ি করে, যেমন আজকাল পুরোনো ৫০০/১০০০ এর নোট রাখলেই জেল – এই রকম লেভেলের কড়াকড়ি ছিল। বিদেশে কোন ভারতীয় থাকলে সে নিজের মর্জি মতন ডলার পাউন্ড পাঠাতে পারত না। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক স্থির করত টাকার বিনিময়ে ডলার কিনলে কত দামে কিনতে হবে অথবা ডলার বেচলে কত টাকায় বেচতে পারবে। অর্থাৎ বিশ্ব বাজারে টাকা ছিল inconvertible । বাজারের চাহিদা যোগান অনুযায়ী টাকার দাম স্থির করা হত না। এর পরে এই আইন পাল্টে এল FEMA.
    ১৯৯১ এ যখন আমাদের একেবারে দৈন্যদশা , তখন LERMS বা Liberalized Exchange Rate Management System এর আইন তৈরি হয়। এতে বলা হয় যে ব্যবসায়ীরা বৈদেশিক ব্যবসা করে যে ডলার আনবে বা টাকা ভাঙিয়ে ডলার বানাবে, সেটার ৪০ শতাংশ হবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের স্থির করা দামে এবং বাকি ৬০ শতাংশ হবে বিশ্ব বাজারের সূচক মেনে। তার মানে দ্বৈত শাসনব্যবস্থা আর কি। ঠেকায় পড়লে বাঘেও ঘাস খায় , ওটাই হল। অর্থাৎ Current Account এ তখন
    partial convertibility এর অনুমতি দেওয়া হল। Current Account কেন বললাম। ওই যে আগেই বলেছি, বৈদেশিক কেনাবেচার সময় হাতে হাতে বা নগদে ভাঙানো। আর হাতে হাতে মানেই Current Account এর ব্যাপার। তবে এখানে তেল, সার বা প্রয়োজনীয় ওষুধের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য ছিল না। কেন? এটা তোমরা মাথা খাটিয়ে বল দেখি।
    ১৯৯৪ সালে এটা তুলে দেওয়া হয় এবং বলা হয় যে টাকার full convertibility করা যাবে
    Current Account এ। এর মানে সরকার ধীরে ধীরে রাশ আলগা করতে শুরু করল।
    Capital Account এ Convertibility
    Tarapore Committee বলে একটা কমিটি গঠন করা হল Capital Account এ টাকাকে খোলাখুলি ছেড়ে দেওয়া যায় কি না সেটা ভেবে দেখার জন্য। এটা চালু হলে যে কেউ অনায়েসে তার Asset গুলোর মালিকানা এদেশ থেকে বিদেশে হস্তান্তর করে দিতে পারবে বাজারে মুদ্রার দর অনুযায়ী। কারন আগের পোস্টে বলেছি Capital Account এর হিসাব মানে Asset হস্তান্তরের হিসাব, যা হাতে হাতে হয় না। এর মানে কোনো ভারতীয় বেগতিক দেখে এদেশে তার ঘটি বাটি বেচে অন্য দেশ থেকে তার টাকাটা পেয়ে যাবে। মানে বিজয় মালিয়াদের মতন লোকের সুবিধা হবে। আবার বিদেশীরা যখন তখন ভারতীয় সম্পত্তি বেচে পালাতে পারবে। কাজেই এই কমিটি মত দিল যে পুরোপুরি খোলামেলা ভাবে টাকাকে বিশ্ব বাজারে ছাড়া যাবে না Capital Account এর খাতায়। পরে অবশ্য
    Partial convertibility এর অনুমতি দেওয়া হয় Capital Account এ। না হলে বিদেশীরা তো লগ্নী করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।
    হয়তো ভবিষ্যতে Full convertibility হবে Capital Account এ। বিশ্বায়নের যুগে এটা করা জরুরী। তবে তার জন্য আমাদের Current Account এর ঘাটতি কমাতে হবে। দেখতে হবে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কি রকম থাকছে। তবেই হয়তো এটা সম্ভব হবে।

    Please subscribe here to get all future updates on this post/page/category/website

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

     2019 2019 2019