• Home /Exam Details (QP Included) / Preliminary Exam / Indian Polity & Economy / Some Important Concepts Of Economy – সহজ ভাষায় ইকনমির নোটস – W.B.C.S. Exam.
  • Some Important Concepts Of Economy – সহজ ভাষায় ইকনমির নোটস – W.B.C.S. Exam.
    Posted on June 19th, 2020 in Indian Polity & Economy
    Tags: , ,

    Some Important Concepts Of Economy – সহজ ভাষায় ইকনমির নোটস – W.B.C.S. Exam.

    By Dipayan Ganguly, WBCS Gr A

    Balance Of Trade – BOT

    সমস্ত দেশের একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেন হয়ে থাকে। কোনও দেশ একটু বেশি আমদানি করে, কোনও দেশ বা একটু বেশি রপ্তানি করে। এই রপ্তানি এবং আমদানির পার্থক্যটি হল BOT বা ট্রেড ব্যালান্স। যা যা দ্রব্য রপ্তানি হচ্ছে তার মূল্য যদি আমদানিকৃত দ্রব্যের মূল্যের থেকে বেশি হয় তাহলে বলা যেতে পারে সেই দেশের ট্রেড সারপ্লাস রয়েছে। এর উল্টো হলে আমরা বলব ট্রেড ডেফিসিট বা ঘাটতি রয়েছে। এর মাধ্যমে কোনও দেশের উৎপাদনের একটি আন্দাজ পাওয়া যায়। অর্থনৈতিক মন্দা বা রিশেসনের সময় রপ্তানির ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়। কেন? কারণ দেশের মধ্যে তো জিনিসপত্রের অত চাহিদা নেই, কাজেই অন্য দেশে সেগুলি বেচে দু চার পয়সা পাওয়া যাবে। এতে নিজের দেশে কিছু বেকার ছেলেমেয়ের জন্য কাজের ব্যবস্থা করা যাবে, মানে কর্মসংস্থান বাড়ানো যাবে আর কি।Continue Reading Some Important Concepts Of Economy – সহজ ভাষায় ইকনমির নোটস – W.B.C.S. Exam.

    Balance Of Payments বা (BOP)

    এটি হল সেই চিত্রগুপ্তের খাতা যেখানে কোনও দেশের অন্যান্য দেশগুলির সাথে কত টাকার লেনদেন হল তার ব্যালান্সের হিসাব। এর মধ্যে

    BOT তো আছেই, এ ছাড়াও পরিষেবার লেনদেন, সম্পদ ও দায়ের হস্তান্তর অর্থাৎ দেশের কোম্পানির শেয়ারগুলি নিয়ে বিদেশিদের কেনাবেচা অথবা এর উল্টোটা ইত্যাদি হল BOP এর অংশ। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে এক বছরে বা এক অর্থবর্ষে মোট কত টাকার লেনদেন বাকি দেশগুলির সাথে হয়েছে।

    এর দুটি ভাগ আছে— current account ও capital account

    current account কাকে বলে?

    একেবারে হাতে হাতে যে সমস্ত কেনাবেচার হিসাব করা হয় সেটি current account এ দেখানো হয়। কারেন্ট এর মানে হল ‘আজ নগদ কাল বাকি’ অথবা ‘ধার চাহিয়া লজ্জা দিবেন না’ এর কন্সেপ্ট। কোনও দেশের BOT, বিদেশের থেকে আয় এবং বিদেশে টাকা পাঠানো, কোনও দুর্বল দেশকে টাকা ভিক্ষা দেওয়া- এই সবের যোগফল। এখানে Asset এর ownership change বা স্বত্বের পরিবর্তন ঘটছে না।

    Current account deficit

    যখন রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হয়ে যায়, তখন current account এ ঘাটতি বা deficit দেখা যায়। দেশের থেকে টাকাগুলি বেরিয়ে যাচ্ছে তো। হয় উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানি বাড়াও আর তা না হলে দেশের মুদ্রার অবমূল্যায়ন বা দাম কমিয়ে সেই এক পরিমান রপ্তানি করে ডলার ভাঙিয়ে বেশি টাকা ঘরে তোলো। আর সেটিও না হলে আমদানি কমাও। আমাদের দেশের যা অবস্থা, তেল আমদানি করতে গিয়ে ফতুর হয়ে যাচ্ছি। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে এই ঘাটতি একটু কমে আর কি।

    Capital Account

    এই খাতে সেই সমস্ত কিছুর হিসাব হয় যেগুলি তে Asset এর ownership change বা স্বত্বের পরিবর্তন ঘটে। ধর তুমি আমেরিকায় কোনো বাড়ি কিনে ভাড়ায় চড়ালে, তাহলে মাসে মাসে তুমি আমেরিকা থেকে ডলার পাবে। এটি Capital Account এর খাতায় প্রাপ্তির অংশে লেখা হবে। আবার ধর কোনও আমেরিকান এই দেশে বাড়ি কিনে ভাড়া খাটাচ্ছে, তাহলে প্রতিমাসে ভাড়ার টাকা তার দেশে চলে যাবে। এটি Capital Account এর খাতায় প্রদানের অংশে লেখা হবে। বিদেশীরা যখন FDI , FII এর মাধ্যমে এদেশে টাকা খাটায় , তখন তার হিসাবও Capital Account এ করা হয়ে থাকে।

    Capital Account এ ঘাটতি হয় কি?

    হ্যাঁ, অবশ্যই হয়। যদি বিদেশীরা এদেশে টাকা বেশি খাটায় এবং দেশের ব্যবসায়ীরা যদি বিদেশে বিনিয়োগ কম করে, তাহলে Capital Account এ ঘাটতি হবে বৈকি। তবে Current account এর ঘাটতি আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক হালচাল বোঝা যায়। Current account এর ঘাটতি যত বেশি হবে, তত আমাদের টাকার দাম আন্তর্জাতিক বাজারে পড়তে থাকবে। এর ফলে রপ্তানিতে হয়তো সুবিধা হবে, কারণ ডলার ভাঙিয়ে বেশি টাকা পাওয়া যাবে। কিন্তু তেল আমদানি করার সময় হাল খারাপ হয়ে যাবে। এর ফলে দেশের বাজারে তেলের দাম বাড়বে। তেলের দাম বাড়লে পণ্য পরিবহনে খরচ বাড়বে। এর মানে নিত্যপ্রয়োজনিয় জিনিসপত্রের দাম বাড়বে। মুদ্রাস্ফীতি হলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বাড়াবে। ফলে লোনগুলিতে সুদের হার বাড়বে। এর ফলে দেশের ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক লোন নিতে অসুবিধা হবে। ফলে নতুন বিনিয়োগে ভাটা পড়বে। মানে উৎপাদন সেরকম বাড়বে না। আর উৎপাদন না বাড়লে রপ্তানি বাড়বে না। ফলে আবার Current account এ ঘাটতি হবে। আর এটি চলতেই থাকবে। একদম যাকে বলে vicious circle, মানে ঘুরে ফিরে সেই এক জিনিস।

    Convertibility of Rupee

    Convert মানে কি? রুপান্তর করা। কিসের রুপান্তর? টাকার। টাকার আবার কি রকম রুপান্তর হয়? কেন হবে না? দেশ বিদেশের মধ্যে যদি জিনিসপত্রের লেনদেন হয় তাহলে টাকার হবে না কেন? অর্থাৎ প্রতিটি দেশের মুদ্রা একে অপরের সাপেক্ষে কতটা সস্তা অথবা দামি হচ্ছে সেটাই এখানে বোঝার বিষয়।

    তাহলে প্রশ্ন, অন্য দেশের মুদ্রার সাপেক্ষে টাকার কেনাবেচা কি মুড়ি মুড়কির মতন হয় না কি? না। এমনিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আইন কানুন অনুযায়ী ব্যাঙ্কগুলি তাদের সম্পূর্ণ টাকা বাজারে খাটাতে পারে না, তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারে টাকার কেনাবেচা অত সহজ হবে না কি।

    দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে Foreign Exchange Regulation Act বা FERA আইনের মাধ্যমে এটা বলা হয় যে কেউ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অনুমতি ছাড়া বিদেশী মুদ্রা রাখতে পারবে না। ১৯৭৩ এ এই আইনের কিঞ্চিৎ সংশোধন হলেও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক খুব কড়াকড়ি করে, যেমন আজকাল পুরোনো ৫০০/১০০০ এর নোট রাখলেই জেল – এই রকম লেভেলের কড়াকড়ি ছিল। বিদেশে কোন ভারতীয় থাকলে সে নিজের মর্জি মতন ডলার পাউন্ড পাঠাতে পারত না। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক স্থির করত টাকার বিনিময়ে ডলার কিনলে কত দামে কিনতে হবে অথবা ডলার বেচলে কত টাকায় বেচতে পারবে। অর্থাৎ বিশ্ব বাজারে টাকা ছিল inconvertible । বাজারের চাহিদা যোগান অনুযায়ী টাকার দাম স্থির করা হত না। এর পরে এই আইন পাল্টে এল FEMA

    ১৯৯১ এ যখন আমাদের একেবারে দৈন্যদশা , তখন LERMS বা Liberalized Exchange Rate Management System এর আইন তৈরি হয়। এতে বলা হয় যে ব্যবসায়ীরা বৈদেশিক ব্যবসা করে যে ডলার আনবে বা টাকা ভাঙিয়ে ডলার বানাবে, সেটার ৪০ শতাংশ হবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের স্থির করা দামে এবং বাকি ৬০ শতাংশ হবে বিশ্ব বাজারের সূচক মেনে। তার মানে দ্বৈত শাসনব্যবস্থা আর কি। ঠেকায় পড়লে বাঘেও ঘাস খায় , ওটাই হল। অর্থাৎ Current Account এ তখন

    partial convertibility এর অনুমতি দেওয়া হল। Current Account কেন বললাম। ওই যে আগেই বলেছি, বৈদেশিক কেনাবেচার সময় হাতে হাতে বা নগদে ভাঙানো। আর হাতে হাতে মানেই Current Account এর ব্যাপার। তবে এখানে তেল, সার বা প্রয়োজনীয় ওষুধের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য ছিল না। কেন? এটা তোমরা মাথা খাটিয়ে বল দেখি।

    ১৯৯৪ সালে এটা তুলে দেওয়া হয় এবং বলা হয় যে টাকার full convertibility করা যাবে

    Current Account এ। এর মানে সরকার ধীরে ধীরে রাশ আলগা করতে শুরু করল।

    Capital Account এ Convertibility

    Tarapore Committee বলে একটা কমিটি গঠন করা হল Capital Account এ টাকাকে খোলাখুলি ছেড়ে দেওয়া যায় কি না সেটা ভেবে দেখার জন্য। এটা চালু হলে যে কেউ অনায়েসে তার Asset গুলোর মালিকানা এদেশ থেকে বিদেশে হস্তান্তর করে দিতে পারবে বাজারে মুদ্রার দর অনুযায়ী। কারন আগের পোস্টে বলেছি Capital Account এর হিসাব মানে Asset হস্তান্তরের হিসাব, যা হাতে হাতে হয় না। এর মানে কোনো ভারতীয় বেগতিক দেখে এদেশে তার ঘটি বাটি বেচে অন্য দেশ থেকে তার টাকাটা পেয়ে যাবে। মানে বিজয় মালিয়াদের মতন লোকের সুবিধা হবে। আবার বিদেশীরা যখন তখন ভারতীয় সম্পত্তি বেচে পালাতে পারবে। কাজেই এই কমিটি মত দিল যে পুরোপুরি খোলামেলা ভাবে টাকাকে বিশ্ব বাজারে ছাড়া যাবে না Capital Account এর খাতায়। পরে অবশ্য

    Partial convertibility এর অনুমতি দেওয়া হয় Capital Account এ। না হলে বিদেশীরা তো লগ্নী করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।

    হয়তো ভবিষ্যতে Full convertibility হবে Capital Account এ। বিশ্বায়নের যুগে এটা করা জরুরী। তবে তার জন্য আমাদের Current Account এর ঘাটতি কমাতে হবে। দেখতে হবে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কি রকম থাকছে। তবেই হয়তো এটা সম্ভব হবে।

    ইকনমি— consumption function এর কন্সেপ্ট।

    consumption function এর কন্সেপ্টটি আয় ও ব্যয়ের মধ্যে একটি সম্পর্ক স্থাপন করার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। Macroeconomics এর গুরুদেব J.M Keynes সাহেব এই বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট মাথা ঘামিয়েছিলেন। তবে যারা এই বিষয়টির সাথে একেবারেই অপরিচিত, তাদের জন্য এই Macroeconomics এর অধ্যায়টিকে ঘরোয়া পরিবেশের সাপেক্ষে বোঝানোর চেষ্টা করব।

    গাণিতিক ভাবে consumption function কে বোঝাতে হলে নিচের সমীকরণ টি শিখতে হবে:—

    C= A+MD

    যেখানে

    C = Consumer spending

    A = Autonomous consumption

    M = Marginal propensity to consume

    D = Real disposable income

    Consumer spending তো বুঝলাম, কিন্তু বাকিগুলি আবার কি? Autonomous consumption হল সেই খরচটি যেটি না করলেই নয়। অর্থাৎ খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের জন্য খরচ।

    Real disposable income হল ট্যাক্সের বোঝা বাদ দিয়ে সে টাকাটি নিয়ে আমরা ঘরে ঢুকি। অর্থাৎ ছা পোষা মধ্যবিত্তের কাছে সেটি হল মাসের ৩০ তারিখে মোবাইলে এসএমএসের অঙ্কটি।

    Marginal propensity to consume মানে অতিরিক্ত আয় হলে তার কতটা অংশ ব্যয় করব। ধর তুমি চাকরি করার পাশাপাশি প্রাইভেট টিউশনি করে মাসে অতিরিক্ত ১০০০০ টাকা রোজগার করলে এবং এর ফলে তুমি অতিরিক্ত ৭০০০ টাকা প্রতিমাসে কোনও খাতে নতুন করে খরচ করছ। তাহলে Marginal propensity to consume সমান হবে ৭০০০/১০০০০= ০.৭

    অর্থাৎ এই Marginal propensity to consume যত বেশি হবে তত তোমার খরচ বেশি হবে। পাতি বাংলায় এটিই হল খরচ করার প্রবণতা।

    এই যে Marginal propensity to consume এবং Real disposable income এর গুণফল, এটিকে Induced consumption বলা হয়। অর্থাৎ রোটি কাপড়া বাদে যা খরচ করছি সেটি।

    এই Marginal propensity to consume এর অনুপাতটি ধনী দের ক্ষেত্রে কম হয় এবং গরিবদের ক্ষেত্রে বেশি হয়। অতিরিক্ত টাকা হাতে এলে ধনীরা বিনিয়োগ করার চেষ্টা করে, সেখানে গরিবের হাতে টাকা আসা মানে কতক্ষণে খরচ করব সেটির চিন্তা করা। আসলে গরিবদের আবার কিসের বিনিয়োগ? সকলেই কি ধীরুভাই অম্বানি না কি?

    আবার ধনীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আয়টিও বেশি হওয়ার দরুন এরা অনেকটি খরচ করে ফেললেও Marginal propensity to consume এর অনুপাতটি সেই কমই থেকে যায়। যে কারণে কথায় বলে — The rich is becoming richer.

    ইকনমির কিছু কন্সেপ্ট।

    Primary market— ধর তুমি বাজার থেকে চাল না কিনে সরাসরি চাষী ভাইদের থেকে ধান কিনতে চাও। চাষীরা তো তোমাকে ৫ কিলো ধান দেবে না, কিনতে হলে কয়েক ক্যুইন্টাল নিতে হবে। কারণ কম সময়ে তার ফলন বিক্রি করতে পারলে তবেই সে নিজের কাজকর্মের জন্য সময় বরাদ্দ করতে পারবে।

    এই সময় যত রাজ্যের ফড়ে এবং middleman এরা, অবশ্য এখন তো কৃষক বাজারও হয়েছে— এরা চাষীদের থেকে ফসলটি কিনে নেয়। এই ধরণের বাজারকে বলে Primary market

    কোম্পানিগুলি যখন বাজারে তাদের শেয়ার ছাড়তে চায় টাকা তোলার জন্য, যে টাকাটি তারা বিনিয়োগের জন্য বরাদ্দ করবে, তখন আমজনতার কাছে IPO বা Initial Public Offering এর সাহায্য নেয়। তোমার আমার মতন চুনোপুঁটির তো এত ঔকাৎ নেই যে সেই সময় ভুরি শেয়ার কিনব। তখন মূলত রাঘব বোয়ালেরা অর্থাৎ বড়সড় কোম্পানিগুলি এই IPO গুলি কিনে নেয়। এর পাশাপাশি Investment Banker এরা কোম্পানিকে নানারকম মতামত দিতে থাকে।

    অর্থাৎ , সরাসরি উৎপাদনকারীর সাথে যে বাজারে লেনদেন হয় সেটিকে Primary market বলে।

    Secondary Market— চাষীরা তাদের ধান বিক্রি করল কৃষক বাজারে অথবা ফড়েদের কাছে। এবারে সেই ধান থেকে চাল বের করে ট্রাকে করে নিয়ে আসা হল বাজারে। সেই বাজার থেকে খুচরা অথবা পাইকারি দরে তুমি চাল কিনলে। এই ধরণের বাজারকে বলা হয় Secondary Market

    বড় বড় কোম্পানিগুলির শেয়ার যখন শেয়ার বাজারে বিক্রি হয়, তখন আমজনতা থেকে শুরু করে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা (Foreign Institutional Investors বা FII) এরা সেই সমস্ত শেয়ার কেনাবেচা করে।

    অর্থাৎ , সরাসরি উৎপাদনকারীর সাথে না হয়ে তৃতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে যে বাজারে লেনদেন হয় সেটিকে Secondary market বলে।

    FDI বা Foreign Direct Investment

    যখন বিদেশী কোম্পানিগুলি দেশের মধ্যে বিনিয়োগ করে গরিব ভারতীয়দের রুজি রুটির ব্যবস্থা করার পাশাপাশি Technology transfer করে থাকে, তখন তাকে FDI বা Foreign Direct Investment বলা হয়। Make in India প্রোগ্রামটি এই সব FDI বিনিয়োগকারীদের সবুজ সঙ্কেত দেখানোর একটি প্রচেষ্টা বৈকি। এদের বিনিয়োগ দীর্ঘ ফলপ্রসূ, কারণ যত সহজে এদের বাজারে প্রবেশাধিকার রয়েছে, বাজার থেকে এদের বেরিয়ে যাওয়া ঠিক ততটা কঠিন। সব দেশের সরকার চায় বিদেশীরা লগ্নী করুক। কিভাবে? এমন ভাবে টাকা খাটিয়ে যাতে দেশের ও দশের উন্নতির পাশাপাশি stability ও বজায় থাকে।

    FII বা Foreign Institutional Investors

    এরা হল সুদিনের বিদেশী বন্ধু। দেশের শেয়ার বাজারে টাকা খাটিয়ে নিজেরা মুনাফা ঘরে তোলে। যখন খুশি টাকা ঢালে, যখন খুশি শেয়ার বেচে টাকা তুলে নেয়। এদের কোনও স্থিরতা নেই। অর্থনীতির মধ্যে instability এর জন্য এরাও কিছুটা দায়ী। তবে কি বা করতে পারি আমরা? লগ্নীকারী হল লক্ষ্মী, আর হাতের লক্ষ্মী তো পায়ে ঠেলা উচিত নয়।

    সহজ ভাষায় ব্যাঙ্কিং এর কিছু তথ্য।

    REPO রেট—

    REPO বা Re Purchase Option মানে যে হারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বাকি ব্যাঙ্কগুলির থেকে সরকারী সিক্যুরিটিগুলি নিজের কাছে জমা রেখে টাকা ধার দেয়। এবারে প্রশ্ন হল সরকারী সিক্যুরিটি কেন? কারণ ব্যাঙ্ক যদি ফেল করে তাহলে সেই সমস্ত সিক্যুরিটি বেচে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক তার টাকা বুঝে নেবে। এটা অনেকটা গৃহঋণ এর মতন, যেখানে বাড়ির দলিল জামিন রেখে টাকা ধার করতে হয়।

    Reverse REPO রেট—

    এটা হল REPO এর উল্টো। অর্থাৎ যখন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বাকি ব্যাঙ্কগুলির কাছ থেকে টাকা ধার নেয় সরকারী সিক্যুরিটি গুলির বিনিময়ে। এই সুদের হার REPO রেটের থেকে কম হয়। কেন? আমরা যখন ব্যাঙ্কে টাকা রাখি তখন সুদ কম পাই, কিন্তু ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিতে গেলে বেশি সুদ গুনতে হয়। তেমনি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক হল সমস্ত ব্যাঙ্কের ব্যাঙ্ক।

    এই REPO এবং Reverse REPO হল অর্থনীতির Liquidity Adjustment Facility এর হাতিয়ার। এর দ্বারা মূলত অর্থনীতিতে টাকার যোগান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। একে Liquidity Corridor ও বলা হয়ে থাকে।

    Marginal Standing Facility —

    ধর কোনও ব্যাঙ্কের রাতারাতি কিছু টাকার দরকার পড়ল, আদানি বা বিজয় মালিয়া হয়তো লোন নেবে। এত কম সময়ে টাকা পেতে গেলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক আগে দেখবে সেই ব্যাঙ্কের কত Net Demand and Time Liabilities (NDTL) আছে, অর্থাৎ মোট কত টাকা পাবলিক বা অন্য ব্যাঙ্ককে ফেরৎ দিতে হবে। এর ২ শতাংশ অবধি ঋণ সেই ব্যাঙ্ক পেয়ে যেতে পারে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের থেকে। এটি হল Marginal Standing Facility, অর্থাৎ সেই ব্যাঙ্কের সম্মান রাখার জন্য তার পাশে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দাঁড়ানো।

    Bank Rate—

    এর মানে যে হারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বাকি ব্যাঙ্কগুলিকে টাকা ধার দেয়। তাহলে REPO এবং Marginal Standing Facility এর সাথে এর তফাৎ কি রইল?

    REPO এর ক্ষেত্রে সরকারী সিক্যুরিটিগুলি বন্ধক রাখা হয়, কিন্তু এক্ষেত্রে রাখা হয় না। তার মানে এটি হল পার্সোনাল লোনের মতন। পার্সোনাল লোনে সুদের হার গৃহঋণের থেকে বেশি হয় জানি। এখানেও তাই। REPO রেটের থেকে Bank Rate বেশি হয়।

    Marginal Standing Facility এর ক্ষেত্রে ২ শতাংশের গ্যাঁড়াকলটি আছে, এক্ষেত্রে সেটিও নেই। কাজেই সুদ তো বেশি গুনতেই হবে বাছা।

    Cash Reserve Ratio বা CRR—

    প্রতিটি ব্যাঙ্ককে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে তাদের সিন্দুকে জমানো টাকার একটি অংশ জমা রাখতে হয়। এটিকে CRR বলে। এর জন্য ব্যাঙ্ক কোনও সুদ পায় না। এটি নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কম সমালোচনা হয় নি। বড় বড় কোম্পানিগুলি সরকারকে অনেক কথা শুনিয়েছে। কারণ এই টাকা জমা না রাখতে হলে তাদের ব্যাঙ্ক থেকে লোন পেতে লাইনে দাঁড়াতে হত না। কিন্তু রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এটি করে কেন? কারণ বেশি টাকা বাজারে এলে টাকার দাম কমে যাবে, ফলে মুদ্রাস্ফীতি হয়ে জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়বে। সরকারের গদি বাঁচাতে এটি করা হয় আর কি।

    সাধারণত এটি ৪ শতাংশ হয়ে থাকে। অর্থাৎ ব্যাঙ্কের জমানো ১০০ টাকার মধ্যে ৪ টাকা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে আটকে রাখতে হয়।

    Statutory Liquidity Ratio (SLR)—

    শুধু CRR নয়, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক SLR এর জুজু দেখিয়েও ব্যাঙ্কগুলিকে ত্রস্ত করে রাখে। এই SLR হল সেই অনুপাতটি যেটি ব্যাঙ্কগুলিকে নিজের টাকাটি নিজের সিন্দুকে ভরে রাখতে হয় বাজারে না খাটিয়ে। কি অবস্থা! নিজের টাকা অথচ নিজে খাটাতে পারব না। মোটামুটিভাবে ১৮-২৫ শতাংশের মধ্যে এই অনুপাতটি ঘোরাঘুরি করে। অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৪ টাকা রিজার্ভ ব্যাঙ্কে জমা রাখার পরে নিজের সিন্দুকে ১৮-২৫ টাকা আটকে রাখ। অর্থাৎ বাকি টাকা বাজারে খাটিয়ে যা রোজগার করার কর গিয়ে। এই জন্য কি হয় জান? জমা খাতায় সুদ মেরেকেটে ৪ শতাংশ, ফিক্সড জমায় ৬-৭ শতাংশ। অথচ ব্যাঙ্ক থেকে টাকা ধার নেওয়ার সময় আম আদমিকে ১০ শতাংশ হারে সুদ গুনতে হয়।

    ইকনমির কিছু দুর্বোধ্য বিষয়।

    ইকনমির অনেক কিছু দুর্বোধ্য বিষয়গুলি অনেকে না পড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যেমন উৎপাদন, ভর্তুকি, কর প্রভৃতি এবং এর সাথে অর্থনীতির যোগাযোগ।

    যেমন ধর Factor Cost, এটা শুনেছি GDP এর হিসাব বের করার সময় ধরা হয়। তা এটা কি? বুঝতে গেলে আমাদের Factors of Production টা জানতে হবে। সেগুলি কি?

    একটা Factory তে কিছু তৈরি করতে গেলে আমাদের কি কি প্রয়োজন। জমি জায়গা, শ্রমিক, টাকা এবং কাঁচামাল। এগুলিকে Factors of Production বলে। এর মানে হল যেসব জিনিস ছাড়া উৎপাদন হবে না। এবারে ধর আমি সেই ফ্যাক্টরি তে একটা মোবাইল তৈরি করছি । এতে কাঁচামালে আমার খরচ ২০০০, জমির জন্য আনুপাতিক খরচ ৫০০, শ্রমিকের আনুপাতিক মজুরি ৫০০। অর্থাৎ মোট খরচ ৩০০০ টাকা। এর মধ্যে এখন আমি কর বা Tax চাপাচ্ছি না। কাজেই কর বাদ দিয়ে যে ৩০০০ খরচ হল এটাই হল Factor Cost বা Production Cost

    এই যে মোবাইল তৈরি হল, ধর এটি তৈরি করার সময় ১০ শতাংশ Excise duty চাপানো হল। তাহলে এর দাম দাঁড়ালো ৩৩০০ টাকা। এবারে এর ওপর VAT চাপানো হল ২০০ টাকা। তাহলে বাজারে এটি যখন এল , তখন এর বাজারমূল্য বা Market Price দাঁড়ালো= ৩০০০+৩০০+২০০= ৩৫০০ টাকা। যদি সরকার এটির ওপর ১০০০ টাকা ভর্তুকি বা Subsidies দেয় তাহলে বাজারে এর দাম দাঁড়াবে ৩৫০০-১০০০= ২৫০০ টাকা। অর্থাৎ Factor Cost এর থেকেও কম।

    তাহলে GDP হিসাব করার সময় Factor Cost এ হিসাব করা হয় কেন?

    Market Price এ হিসাব করলে নানারকম কর, ভর্তুকি এই সব যোগ বিয়োগ করতে হত। যেহেতু বিশ্বের অন্যান্য অর্থনীতির সাথে আমাদের তুলনার ব্যাপারটি রয়েছে এবং বিভিন্ন দেশে কর ও ভর্তুকির হার আলাদা, সেই কারণে Factor Cost এ আমরা GDP এর হিসাব করে থাকি।

    RBI terminologies

    আমরা জানি ব্যাঙ্ক বা যে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন বা ধার পেতে পারি। পার্সোনাল লোন, গৃহ ঋণ , গয়না বন্ধক রেখে লোন, গাড়ির লোন প্রভৃতি।

    পার্সোনাল লোনে কোনো কিছু বন্ধক রাখতে হয় না, কাজেই এর জন্য সুদ বেশি গুনতে হয়। আবার বিপদের সময় গয়না বন্ধক রেখে ধার নেওয়া যায়, যার সুদের হার পার্সোনাল লোনের থেকে একটু কম। গৃহঋণের ক্ষেত্রে সুদের হার তুলনামূলক কম কারণ গয়নার দাম ওঠানামা করলেও জমিজমার দাম সাধারণত বেড়েই থাকে, কমে যায় না।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক হল বাকি সমস্ত ব্যাঙ্কের, এমন কি সরকারের ও ব্যাঙ্ক। এই ব্যাঙ্ক রীতিমত চাবুক মেরে বাকি ব্যাঙ্কগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে। সমস্ত ব্যাঙ্ককে এর কাছে টাকা জমা রাখতে হয়। আবার টাকার প্রয়োজন হলে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে টাকা ধার করতেও হয়।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যখন কোনো ব্যাঙ্ককে বিনা বন্ধকে শুধুমাত্র সেই ব্যাঙ্কের সংসার চালানোর জন্য ধার দেয়, তখন সেই সুদের হারকে Bank rate বলে। এটা অনেকটা পার্সোনাল লোনের মতন। তফাৎ একটাই, এই ধারটি দীর্ঘমেয়াদী।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যখন কোনো ব্যাঙ্ককে Government Securities গুলি বন্ধক রেখে টাকা ধার দেয় তখন সেই সুদের হারকে Repo rate (repurchase agreement) বলে। এই হার Bank rate এর চাইতে কম, কারণ সরকারী বন্ডগুলি বন্ধক আছে তো। এটা অনেকটা গৃহঋণের মতন। তফাৎ একটাই, এই ঋণ স্বল্পমেয়াদী। এই রেট বা ব্যাঙ্ক রেট বেড়ে যাওয়া মানে ব্যাঙ্কগুলিকে বেশি সুদ গুণতে হবে। ব্যাঙ্ক নিজের ট্যাঁক থেকে থোড়াই দেবে, ও তো পাবলিকের ঘাড় ভেঙে আদায় করবে, সব ঋণে সুদের হার বাড়িয়ে।

    সমস্ত ব্যাঙ্কের কাছে অতিরিক্ত টাকা থেকে গেলে কি হবে? আমাদের বাড়ির বাড়তি টাকা যেমন আমরা ব্যাঙ্কে রাখি , তেমন ব্যাঙ্কগুলিও তাদের ব্যাঙ্ক অর্থাৎ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে সেই বাড়তি টাকা জমা রাখে। এর জন্য রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যে সুদ দেয় সেই সুদের হারকে reverse repo rate বলে। এটি repo rate এর থেকে কম হয়। কেন? আরে ভাই ব্যাঙ্কে জমার সুদের হার কম ঋণের সুদের হার থেকে, এখানেও তাই। তেজারতি কারবার বলে কথা।

    হঠাৎ করে ব্যাঙ্ক বিপদে পড়লে, মানে দু একদিনের জন্য টাকার দরকার পড়লেও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক টাকা ধার দেয়। এক্ষেত্রে সরকারী বন্ড বন্ধক রেখে , সেই ব্যাঙ্কের Net Demand and Time Liabilities (NDTL) এর এক শতাংশ অবধি টাকা ধার দেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। যেমন বিপদে আপদে গয়না বন্ধক রাখা হয়। এই সুদের হারকে Marginal Standing Facility rate বলে।

    প্রতিটি ব্যাঙ্ককে আবার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে তার Net Demand and Time Liabilities (NDTL) এর ৪ শতাংশ জমা রাখতে হয়। মানে তুমি ব্যাঙ্কে ১০০ টাকা জমা রাখলে, ব্যাঙ্ক তার থেকে ৪ টাকা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে জমা রাখল। এতে Liquidity নিয়ন্ত্রণে রাখল আমাদের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এই অনুপাতকে Cash Reserve Ratio বা CRR বলে।

    Special drawing rights (SDR) হল IMF এর তৈরি মুদ্রার মতন ব্যবহারযোগ্য একটি টেন্ডার। এটি মুদ্রা নয় কিন্তু মুদ্রার থেকে কমও নয়। আসলে IMF ইউরো এবং চারটি বাঘা বাঘা দেশের (আমেরিকা, ব্রিটেন, চিন, জাপান) মুদ্রা নিয়ে একটি মুদ্রার ভান্ডার তৈরি করেছে। তাই বলে পাঁচটি মুদ্রা গলিয়ে শংকর ধাতু তৈরি করেছে নাকি? আরে না না। আসলে ওই পাঁচটি মুদ্রার মুল্যের ওপর গড় এবং আরও অনেক জটিল অঙ্ক কষে নিজের মতন করে মুদ্রা সমকক্ষ একটি বস্তু তৈরি করেছে। এটিই হল Special drawing rights বা SDR।

    তা এর প্রয়োজন হল কেন? কারণ এর আগে আন্তর্জাতিক লেনদেন হত সোনা বা ডলারে। কিন্তু দিনের পর দিন লেনদেনের সংখ্যা বাড়ছে। অত সোনাই বা কোথায় পাব, অত ডলারই বা কে ছাপাবে? তাহলে IMF কি যে কোনো মুদ্রায় আমার Balance of Payment এর সমস্যা মেটাবে নাকি? না, সেই জন্যই এই SDR তৈরি করা। আসলে এটি একটি Reserve basket, যখন দরকার SDR নাও আর যখন শোধ দেবে তখন যে কোনো মুদ্রায় ফেরত দাও। সোনার পরিবর্তে সোনা বা ডলারের পরিবর্তে ডলার দিতে হচ্ছে না। এতে লেনদেনের সমস্যা কমল।

    CRR কি?

    আগেই বলেছি, ব্যাঙ্কে যে টাকাটা আম আদমি জমা রাখে সেই টাকার মোট যোগফলকে Net Demand and Time liabilities বলে। Liability কারণ ব্যাঙ্ককে এই টাকা পাবলিকের কাছে ফেরত দিতে হবে। এবার এই টাকার একটা অংশ (সাধারণত ৪ শতাংশ) রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে জমা রাখতে হয়। কেন? যাতে বেশি টাকা বাজারে না ছড়ায়, তাহলে তো মুদ্রাস্ফীতি হবে। একে বলে CRR বা cash reserve ratio

    তাহলে Incremental cash reserve ratio কি?

    ব্যাঙ্কে হঠাৎ করে প্রচুর টাকা জমা পড়লে, যেমনটা Demonetization এর সময় হয়েছিল, ব্যাঙ্ক তো সেই টাকা বড় বড় ব্যবসায়ীদের লোন দিয়ে বাজারে ছড়িয়ে দেবে। এতে তো টাকার যোগান বাড়বে আর সঙ্গে সঙ্গে সাংঘাতিক রকমের মুদ্রাস্ফীতি হবে। তাহলে উপায়? রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এই বাড়তি জমার ১০০ শতাংশই নিজের কাছে জমা রাখতে পারে। এটাই হল Incremental cash reserve ratio এর মূল বিষয়বস্তু।

    Trickle down effect মানে কি?

    ধর ধনী ব্যবসায়ী বা উদ্যোগীরা কল কারখানা খুলে উৎপাদন শুরু করল। এতে সেই জায়গার গরিব মানুষেরা কাজ পেল, তাদের পকেটে পয়সা এল। সেই পয়সা দিয়ে তারা ওই কল কারখানাতে তৈরি জিনিস গুলো কিনল। এতে ব্যবসায়ীদেরও লাভ হল। অর্থাৎ বড়লোক যেমন আরও বড়লোক হল, গরিবও আর গরিব থাকল না। এটাই Trickle down effect, অর্থাৎ সকলেই জিতব এমনটা হওয়া।

    Please subscribe here to get all future updates on this post/page/category/website

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

     2019 2019 2019